মালদা

কাজ থেকে বাড়ি যাবার পথে আদিবাসী এক মহিলাকে হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ। মৃত্যু হয়েছে মহিলার

এক আদিবাসী মহিলাকে হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ মেরে রাস্তায় ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোলামীগছ গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দা মিনু তির্কী (৩৫) নামের এক আদিবাসী মহিলাকে হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ মেরে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতিরা। মহিলার আর্ত চিৎকারে আশেপাশের লোকজন চলে আসে। এরপর মহিলাকে উদ্ধার করে প্রথমে দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরে উত্তর বঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মারা যায় ওই মহিলা।

        জানা যায়, মৃত মিনু তির্কী স্বামী গোন্ধলে টিগ্গা প্রতিদিনের মতো চা বাগানের কাজ শেষ করে বাড়িতে আসে। সোমবার সন্ধ্যা রাতের দিকে মিনু তির্কী মদ খাওয়ার জন্য বারি থেকে বের হয়। সেই সময় মিনু তির্কীর স্বামী এবং মেয়ে বারিতেই ছিল। মেয়ে রান্না করতে ব্যস্ত ছিল। আনুমানিক রাত ৮ টা নাগাদ  চিৎকার চ্যাচাম্যাচি শুনে লোকজন জড়ো হয়ে দেখে যে মিনু রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে এবং বলেছে যে একজন সাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ মেরে রাস্তায় ফেলে চলে গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে আসে চোপরা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় পুলিশ সন্জয় ওরাও নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপতার করে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ওই ব্যাক্তিকে মঙ্গলবার ইসলামপুর আদালতে পেশ করে।