গ্রাম পঞ্চায়েতের রাস্তার কাজ করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জখম আটজন। এদের গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসলামপুর থানার গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁদাখোওয়া গ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে অপরের উপর আঘাত করার পাশাপাশি উত্তেজিত জনতা শূন্যে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব ঘটনা স্বীকার করে নেবার পাশাপাশি জানিয়েছে,পুলিশ ঘটনার জোর তদন্তে নেমেছে। এলাকায় পাঠানো হয়েছে পুলিশ। তবে গুলি চালানোর ঘটনার খবর ভিত্তিহীন।
অন্যদিকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন কমরুল হুদা,মহম্মদ হামিদ,সনু মহম্মদ,আবুল কাশেম,মহম্মদ চৌধুরী,খলিলুর রহমান, মহম্মদ আজম ও মহম্মদ খইবুর। এদের মধ্যে খলিলুর রহমান এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য জাহানা খাতুনের স্বামী। জাহানা খাতুন জানান,এদিন ওই গ্রামে রাস্তার ঢালাইয়ের কাজ হচ্ছিল। সেই সময় একদল গ্রামবাসী জানায়,এটি কোন প্রকল্পের কাজ, কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে এসব লিখে কেন বোর্ড না লাগিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। পরে বোর্ড লাগানোর কথা বললেও তারা তা না শুনে প্রথমে ইট,পাটকেল ও পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
যদিও গ্রামবাসী কমরুল হুদা জানান, তারা এই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাওয়ার পাশাপাশি বোর্ড কেন লাগানো হয়নি তা জানতে চাওয়ায় সেসব না জানিয়ে তাদের উপর তারা হামলা চালায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে। এমনকি গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাতে তাদের পাঁচজন জখম হয়েছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকা সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পড়ুয়াদের মধ্যে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। চলছে পুলিসি টহলও। তবে দুই পক্ষই তৃণমূলের। তাদের গোষ্ঠী কোন্দলের জন্যই এই ঘটনা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। যদিও তৃণমূলের নেতৃত্ব তা অস্বীকার করেছেন।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/Tmq58EPnHFI