মদের আসর বসিয়ে স্বামীকে বেহুঁশ করে প্রেমিককে সাথে নিয়ে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করলো চোপড়া থানার পুলিশ। আজ অভিযুক্ত স্ত্রী সরস্বতী ওরাওকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর চোপড়া থানার নারায়নপুরে স্ত্রী সরস্বতী ওরাও প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে খুন করে তার স্বামী সুধীন ওরাওকে। এই ঘটনার পর সোমবার তার বাড়ির রান্না ঘরের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার করা হয় সুধীন ওরাও এর পচাগলা মৃতদেহ। পলাতক ছিল সুধীনের স্ত্রী সরস্বতী ও তার প্রেমিক। রাতেই গ্রামের একটি এলাকায় লুকিয়ে থাকা সরস্বতী ওরাওকে গ্রেপ্তার করে চোপড়া থানার পুলিশ। আজ তাকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মদের আসর বসিয়ে স্বামীকে বেহুঁশ করে প্রেমিককে সাথে নিয়ে খুন করে স্ত্রী। খুন করে স্বামীর মৃতদেহ লোপাট করতে রান্নাঘরের মেঁঝেতে পুতে রাখে। ঘটনাটি ঘটেছিল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার নারায়নপুরে। সোমবার সকালে উদ্ধার হয় মৃতদেহ। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল স্ত্রী ও তার প্রেমিক।
গত ৩ রা সেপ্টেম্বর রাতে নিজের বাড়িতে প্রেমিক ও অন্যান্যদের নিয়ে স্বামী সুধীন ওরাওকে সাথে করে মদের আসর বসায় সরস্বতী ওরাও। প্রচুর মদ খাইয়ে স্বামী সুধীনকে বেহুঁশ করে ফেলে স্ত্রী সরস্বতী। এরপর প্রেমিক ও অন্যান্যদের সাহায্য নিয়ে সরস্বতী খুন করে তার স্বামীকে বলে অভিযোগ করে স্থানীয়। খুন করে স্বামীর মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টায় রান্না ঘরের মেঝেতে পুঁতে ফেলে। এরপর তাদের বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকায় সন্দেহ হয় গ্রামের বাসিন্দাদের। তার মধ্যে বাড়ির মালিক সুধীন ওরাও কেও বেশ কিছুদিন ধরে দেখতে না পাওয়ায় সন্দেহ বেড়ে যায় এলাকাবাসীদের। খবর দেওয়া হয় চোপড়া থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়ে সুধীন ওরাও এর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। যদিও সেসময় বাড়িতে পাওয়া যায়নি স্ত্রী সরস্বতী কে। পলাতক স্ত্রী সরস্বতী ওরাও ও তার প্রেমিক সহ সঙ্গীসাথীরা। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তারপর পলাতক সরস্বতী ওরাও ও তার প্রেমিক সহ সঙ্গীসাথীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এরপরেই সোমবার রাতেই অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।