উত্তরদিনাজপুর

বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনায় বাধা দিল মৌমাছি

" মৌমাছি মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি, দারাও না একবার ভাই " এই কবিতার লাইটি আমরা আমাদের বিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় প্রায় সবাই পড়েছি। কিন্তু এখন সেই মোমাছি বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে হয়ে উঠেছে আতঙ্কের কারন। এক-দুটি নয় প্রায় ২২ টি মৌমাছির চাক বাসা বেধেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের অনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিন পুর গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের চার পাশ জুরে বিভিন্ন শ্রেনী কক্ষের বারান্দায় মৌমাছি গুলি চাক বেধেছে। এই মৌমাছির ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ে আসা প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিনের আতঙ্কের কারন হয়ে দারিয়েছে। বিদ্যালয়ের চার পাশ জুড়ে মৌমাছি গুলি উড়ে বেড়াতে থাকে। ইতি মধ্যেই বেশ কিছু পড়ুয়াদের কামড় দিয়েছে মৌমাছি গুলি। বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা ছাত্র ছাত্রীদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন। যেসব শ্রেনী কক্ষের সামনে বাসা বেধেছে মৌমাছি গুলি সেই সব শ্রেনী কক্ষে ক্লাস বন্ধ করেছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। ফলে ক্লাস চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বিদ্যালয় কর্তিপক্ষদের। এই বিদ্যালয়ে ১২০০ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। প্রতিদিন পঞ্চম-দাদশ শ্রেনী পর্যন্ত ক্লাস হয়। এখোন বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলার ফলে কিছুটা সমস্যার কম হলেও বিদ্যালয় খুললে চরম সমস্যা হবে বলে জানান বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নীহার ভৌমিক। যেন মৌমাছির চাকগুলি কাটা হয় সেই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। প্রায় দিন তারা দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। কারন কিছুদিন আগে বেশ কয়েকজন পড়ুয়া মৌমাছির কামড় খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এমনকি গতকালও এক ছাত্রকে প্রায় ২০ টা মৌমাছি কামড় দেয়। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

    বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, তাদের বিদ্যালয়ের চার পাশ জুড়ে বেশকিছু মৌমাছিরা তাদের চাক বেধেছে। ফলে তারা অতঙ্কের মধ্যে আছে। কবে কাকে কেটে দিবে জানিনা। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে মৌমাছি কেটেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়েছে তিনি বলেছে খুব তারাতারি কাটা হবে চাক গুলি।   

    এদিকে কালিয়াগঞ্জেরে বিডিও জানান, আমি জানতে পেড়েছি খুব তাড়াতাড়ি স্থানীয় কিংবা কাউকে ডেকে মৌমাছি চাক গুলি কাটার ব্যবস্থা করানো হবে। 
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে 
https://www.youtube.com/embed/sDbkNuKGEaY