উত্তরদিনাজপুর

৪ঠা ডিসেম্বর রায়গঞ্জে ব্যাবসায় খুনের ঘটনায় গ্রেফতার খুনি


অভিযুক্তকে নিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে ব্যাবসায়ী খুনের ঘটনার পুনর্গঠন করল রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে এলাকায় নিয়ে গিয়ে উদ্ধার করা হলো খুনে ব্যাবহৃত কুড়াল। রায়গঞ্জ থানার উত্তর রূপাহারে গত ৪ ডিসেম্বর রাতে খুন হয়েছিলেন এলাকার ব্যাবসায়ী নারায়ন বর্মন। এই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় জগন্নাথ সরকার নামে এক ব্যাক্তিকে। গতকাল রায়গঞ্জ আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশি জেরায় খুন করার কথা স্বীকার করে জগন্নাথ। এরপর আজ বেলা এগারোটা নাগাদ খুনে অভিযুক্ত জগন্নাথ সরকারকে নিয়ে যাওয়া হয় খুনের ঘটনার পুনর্গঠন করার জন্য। যে চায়ের দোকানে প্রথম জগন্নাথ সরকার এবং মৃত ব্যাবসায়ী নারায়ন বর্মনের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি হয়েছিল সেই দোকানের মহিলা সুমিতা বর্মনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। এরপর জগন্নাথকে নিয়ে যাওয়া তার বাড়ির পাশে পুকুরে যেখানে খুনে ব্যাবহৃত অস্ত্র কুড়াল লুকিয়ে রেখেছিল সে। তাকে দিয়েই অস্ত্রটি উদ্ধার করার পর জানতে চাওয়া হয় কিভাবে সে নারায়নকে খুন করেছিল। এক টুকরো জমির বন্ধকী নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিবাদ চলাকালীন মৃত নারায়ন বেশ কয়েকবার তাকে লাথি ঘুষি মারে। বয়সে বড় হওয়াতেও অনেক লোকের মাঝে তাকে এভাবে মারধর করায় চরম অপমানিত বোধ করে জগন্নাথ। এরপর সে বাড়ি এসে কুড়ালটি নিয়ে নারায়নের বাড়ির সামনে লুকিয়ে থাকে। নারায়ন সামনে আসতেই তাকে জগন্নাথ কুড়াল দিয়ে মাথায় পর পর দুবার আঘাত করে। নিজের বাড়ির সামনেই লুটিয়ে পরে নারায়ন বর্মন। এভাবেই খুনের অভিযুক্ত জগন্নাথকে দিয়ে সম্পূর্ণ ঘটনার পুনর্গঠন করে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

    এদিকে মৃত নারায়ন বর্মনের স্ত্রী চায়না রায় বর্মন বলেন, " ঘটনার দিন সন্ধ্যাবেলা বাড়ি থেকে বের হয়ে আসছেনা দেখে আমি আমার ভাইপোকে বলি খোঁজ নিতে। সে বাইরে বের হয়ে দেখে একজন বাড়ির সামনে পরে আছে। পরে আমি টর্চ জ্বালিয়ে গিয়ে দেখি ওকে মেরে ফেলে রেখে গিয়েছে। পরে জানতে পারি জগন্নাথ সরকার নামে একজন আমার স্বামীকে খুন করেছে। আমি জগন্নাথের ফাঁসি নয়তো যাবজ্জীবন শাস্তি চাই "। একই দাবি করে মৃত নারায়নের ছোট মেয়ে জবা।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/fDO6oaanR4w