দুইবছর ধরে মিড ডে মিলের ১২৮ বস্তা চাল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের মিড ডে মিলের না খাওয়ার দিয়ে সেই চাল গুদামজাত করে রাখার ফলে আজ সেই চাল নষ্ট হয়ে গেছে এমনি অভিযোগ উঠেছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জে ধনকৈল মহিমাচন্দ্র বিদ্যাভবনে। সেই খবর তুলে ধরেছিলাম আমরা। গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের স্কুল ছুট শিশুদের বিদ্যালয় মূখি করতে যখন কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশ জুড়ে প্রতিটি বিদ্যালয় গুলিতে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য দুপুরের আহারের ব্যবস্থা করেছে। যাকে আমরা মিড ডে মিল ব্যাবস্থা বলে থাকি। এত পরিমাণ চাল কার গাফিলতিতে নষ্ট হল সেই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ জারি করেছেন উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসক আয়েষা রানী। যারা দোষি তাদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা হবে। সেই সাথে জেলার প্রতিটি বিদ্যালয়কে যেভাবে মিড-ডে-মিলের চাল যে গুদাম ঘড়ে রাখা হবে সেখানেই রাখতে হবে। অনন্ত্র কোথায় রাখতে পারবে না। যাতে আগামীতে কোন ভাবেই মিড-ডে-মিলের চাল নষ্ট না হয়।
অভিযোগ উঠেছিল কালিয়াগঞ্জে ধনকৈল মহিমাচন্দ্র বিদ্যাভবনের সদ্য অবসর নেওয়া প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ভূদেব চন্দ্র সরকার এর প্রত্যক্ষ মদতে এই স্কুলের একটি ক্লাস রুমে দীর্ঘ দুইবছর ধরে মিড ডে মিলের ১২৮ বস্তা চাল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের মিড ডে মিলের না খাওয়ার সেই চাল গুদামজাত করে রেখেছেন। ফলে আজ সেই চাল নষ্ট হয়ে গেছে। জানা যায়, গত ২০১৩ সাল থেকে মিড ডে মিলের চালের বাবদ এই লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা নাকি আত্বসাৎ করে চলছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় এমন ও অনেক দিন রয়েছে যেদিন ব্যাঙ্ক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলার পড়েও স্কুলে মিড ডে মিলের রান্না হয় নি। জানা যায় প্রশাসন থেকে মাঝে মাঝে মিড ডে মিলের তদারকির জন্য কালিয়াগঞ্জ বিডিও অফিস থেকে মিড ডে মিলে এর দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিকদের পাঠানো হলেও তারা নাকি এইসব বিষয়ে কিছু জানেন না।
লক্ষীপুর মহিমচন্দ্র বিদ্যাভবনের বর্তমান প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র বর্মন জানান মিড ডে মিল নিয়ে যে অনিয়ম হয়েছে তা সত্যি খুবই দুঃখ জনক এই ব্যাপারে সব কিছু ব্লক প্রশাসনের কাছে জানানো হয়।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/05aJluIxQuM