মঙ্গলবার ইটাহারে সৎ মায়ের হাতে ছেলের খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। এদিন ঘটনাটি ঘটে ইটাহার থানার দুর্গাপুর অঞ্চলের বেকিডাঙ্গা পাহারাজ গ্রামে। উল্লেখ্য এলাকার বাসিন্দা শম্ভু দাস পেশায় দিনমজুর। দীর্ঘ ২০ বছর আগে বিয়ে করলেও পাঁচ বছরের মাথাই স্ত্রীর মৃত্যু হয়, ফলে দুই ছেলেকে নিয়ে সংসার চালালেও বছর না ফিরতেই আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডি থানা এলাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে সে। দ্বিতীয় পক্ষের তার এক সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংসার চালালেও বেশ কয়েক বছর ধরে দুই সৎ ছেলেকে দেখতে পারে না সৎ মা অর্চনা দাস। ফলে পড়াশোনা বাদ দিয়ে দুই সৎ ছেলে লোকের দোকানে কাজ করে। কিন্তু বাড়ি এলেই তাদের উপর মারধর করত সৎ মা, এমনকি তার বাবাও সঙ্গ দিত বলে অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের।
গ্রামের বাসিন্দা বাপন সিং জানান বেশ কিছু দিন ধরেই সৎ ছেলেকে মারধর করত কেননা বাড়ির ভিটা ভাগাভাগি করতে চাই না সৎ মা। এমনকি গত দুই বছর আগে সৎ বর ছেলেকে মারধর করে ফলে এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। এমনকি ছোট সৎ ছেলে বিশ্বজিত দাস(17)কেউ মারধর করেন। সোমবারও মারধর করে সৎ মা অর্চনা ও সঙ্গ দেই তার স্বামী।অভিযোগ মারধর দিয়ে ঝুলিয়ে দিলেও পরে নামিয়ে রাখে ঘরে, এমনকি ফাঁসির সেই দরিটা পুরিয়ে ফেলে হয়। সকাল বেলা বাড়ির লোকজনদের বাইরে না দেখতে পেয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। ফলে বাড়িতে গিয়ে দেখে বিশ্বজিত মাটিতে লুটিয়ে রয়েছে, গলাই দাগ,এছারাও সারা শরীরের মারার দাগ রয়েছে। এদিন উত্তেজিত জনতা তার সৎ মা ও বাবাকে মৃদু মারধর করে।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ইটাহার থানার পুলিশ গেলে ছেলেকে তারা হত্যা করেছে এই কথা পরে অস্বীকার করেন বাবা ও মা। যদিও এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ ঘটনার সত্যতা যাচাই করুক পুলিশ। এরপর পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।