নিজের মাকে বেধড়ক মেরে বাড়ি থেকে তাড়ালো এক পুলিশ কর্মী। বিচার চাইতে মালদা মহিলা থানায় নিজের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গেলেও অভিযোগই জমা নিল না মালদার মহিলা থানা বলে অভিযোগ। এমনই ঘটনার সাক্ষী রইল মালদাবাসী। অবশেষে এই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালো এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম কবিতা ঝা। বছর তিনেক আগে তাঁর স্বামী কামদেব ঝাঁ মারা যান।তিনি ছিলেন একজন পুলিশ কর্মী। এরপর দুই ছেলে টোটন ও সঞ্জীবকে নিয়ে মানিকচকের ধরমপুরের স্বামীর ভিটেতে বসবাস করতে কবিতা ঝা। বছর খানেক আগে কবিতার বড় ছেলে টোটন ঝা এক বেসরকারী কোম্পানিতে চাকুরী পেয়ে শিলিগুড়িতে চলে যান। আর সম্প্রতি সঞ্জীব মৃত বাবার পুলিশের চাকুরী পান। চাকুরী পাবার কিছু দিন পরেই সঞ্জীব তাঁর মাকে বেধড়ক পিটিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তাঁর ছেলের এমন আচরণের কথা পুলিশকে জানিয়ে সুবিচারের আশায় মহিলা পুলিশ থানায় যান কবিতা দেবী। কিন্তু মহিলা পুলিশ থানার কর্মীরা অভিযোগই জমা নেয় নি বলে অভিযোগ কবিতা দেবীর। এরপর এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই বৃদ্ধার পাশে দাড়িয়েছে।বৃদ্ধার সুবিচারের ব্যবস্থা করতে দারস্থ হয়েছেন জেলা প্রশাসনের কাছেও। পুলিশ কর্মীদের কাছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরও নিজের মায়ের প্রতি অমানবিক পুলিশ কর্মী।
কবিতা দেবীর বড় ছেলে টোটন ঝা জানান, বাবা মারা যাবার পর ষড়যন্ত্র করে এবং তাকে তার মা ও দিদিকে মিথ্যা কথা বলে তার ছোট ভাই সঞ্জীব ঝা চাকুরির কাগজে সই কড়িয়ে নেয়। তারপরেও পরিবারের সকলে তা মেনে নেয়, ছোট ভাই সঞ্জীব ঝাকে কাজটি দিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের শর্ত ছিল মাকে যেন তার ছোট ভাই ভালো করে রাখে। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই সঞ্জীব তার মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয়।