মালদা

এবার রঙের উৎসবে হতে পারে রঙের অভাব

সামনে দোল পূর্ণিমার । এই উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরাতন মালদায় সাহাপুরের নাগেশ্বরপুর এলাকায় আবির-রং তৈরির কারখানায় চলছে আবির-রং প্রস্তুতির কাজ। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের জি এস টি-র প্রভাব থেকে ছাড়া পেল না আবীর-রং উৎপাদনকারী ব্যবসায়িরাও। যার ফলে এই বছর তুলনামূলক ভাবে আবির-রং কম উৎপাদন করছেন ব্যবসায়িরা। 

        জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদায় সাহাপুরের নাগেশ্বরপুর এলাকায় আবির-রং তৈরির কারখানায় চলছে আবির-রং প্রস্তুতির কাজ। প্রায় ৩০ বছর ধরে চলছে এই আবীর-রং তৈরির কারখানা। এই কারখানায় ক্যালসিয়াম ও ফ্রাঞ্চাক পাওডারের আবীর-রং তৈরি হয়। বর্তমানে আবির-রং প্রস্তুতির কাজ শেষের দিকে।

        আবির-রং ব্যবস্যায়ী বিমল পাল জানান, আবীর-রং তৈরির কারখানায় প্রায় ১০-১২ দিন থেকে কাজ শুরু করা হয়েছে, এখন কাজ শেষের দিকে। এই কারখানায় তারা ক্যালসিয়াম ও ফ্রাঞ্চাক পাওডারের আবির-রং তৈরি করছে। ক্যালসিয়াম ও ফ্রাঞ্চাক পাওডারের আবির-রং এর বাজার মুল্য প্রতি কেজিতে ১০০ টাকা ও ৫০ টাকা। তারা বাইরে থেকে এনেছেন হারবালাবিল। যার বাজারের চাহিদা বেশি, মালদাতে ২০০ টাকা কিলো দরে বিক্রয় করছেন। এই বছর ৩০০-৪০০ বস্তা আবির-রং প্রস্তুত করেছেন। জি এস টি বেশি হওয়ার কারণে এই বছর তুলনামূলক ভাবে আবীর-রং কম তৈরি করছেন।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে