শনিবার সন্ধায় খুন মালদার কালিয়াচকে। এক হাতুড়ে চিকিৎসককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠলো। ঘটনায় ক্ষিপ্ত জনতা আগুন ধরিয়ে দেয় অভিযুক্তের বাড়িতে। গ্রেফতার অভিযুক্ত। শনিবার সন্ধায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে কালিয়াচক থানার মোশিমপুর গ্রামের জোলাকাদি এলাকায়।
জানা গেছে, মৃত ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের নাম মহম্মদ অভায় দুল্লা। বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুরে মোশিমপুর গ্রামের জোলাকাদি এলাকায় একটি দোকান ভাড়া নিয়ে চিকিৎসাকতার কাজ করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় নামাজ পাঠ করে দোকানে আসছিলেন ওই চিকিৎসক। অভিযোগ ঠিক সেই সময় দোকানের সামনে স্থানীয় দুই বাসিন্দা নেজামুদ্দিন সেখ এবং তার ছেলে বাবর সেখ দুইজনে মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহম্মদ অভায় দুল্লাকে কোপাতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই চিকিৎসক। এরপরই স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। অভিযুক্ত নেজামুদ্দিন সেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালিয়াচক থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাত প্রায় ১০ টা নাগাদ নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। এদিকে ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়ে, রাতেই অভিযুক্ত নেজামুদ্দিন সেখকে গ্রেফতার করে কালিয়াচক থানার পুলিশ। যদিও তাঁর ছেলে বাবর সেখ এখনও পলাতক রয়েছে। তাঁর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নেজামুদ্দিন সেখের স্ত্রী গত তিন মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসক মহম্মদ অভায় দুল্লার চেম্বারে এসেছিলেন। কিন্তু চিকিৎসার পরও সুস্থ হয়ে না উঠায় তাঁর স্ত্রীকে মালদায় ভর্তি করার কথা বলে মহম্মদ অভায় দুল্লা। এরপর তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়। অনুমান করা হচ্ছে পুরনো এই শত্রুতার কারনেই এই খুন।