উত্তরদিনাজপুর

গ্রামগঞ্জ থেকে আসা ছাত্রদের সুবিধার্থে ছাত্রাবাসের উদ্ধোধন কালিয়াগঞ্জ পার্ব্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ে

গ্রামগঞ্জ থেকে আসা ছাত্রদের সুবিধার্থে রবিবার দুপুরে উত্তর দিনাজপুর জেলারে কালিয়াগঞ্জ পার্ব্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রসুন্য কুমার মেমোরিয়াল ছাত্রাবাসের নতুন দুই কক্ষ বিশিষ্ট নতুন ছাত্রাবাসের উদ্ধোধন হল। নতুন ছাত্রাবাসের ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন কালিয়াগঞ্জ পুরসভার পৌরপতি কার্তিক পাল। অনুষ্ঠানে অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অনগ্রসর দপ্তরের অধিকারিক শঙ্কর পাল ও খগেশ্বর বর্মন, কালিয়াগঞ্জ পার্ব্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নন্দন সাহা, বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি নীলাঞ্জন সাহা, জমিদাতা পরিবারের সদস্য শুকুমার চন্দ্র বর্মন, সমাজসেবী জয়ন্ত সাহা সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন। কালিয়াগঞ্জ পার্ব্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রসুন্য কুমার মেমোরিয়াল ছাত্রাবাস ছিল কিন্তু এখোন তা জরাজীর্ন হয়ে যাবার ফলে যে কোন সময় অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে যাবার সম্ভবনা ছিল। সেই কারনে অনগ্রসর দপ্তরের আর্থিক অনুদানে মোট ১৮,২৫০,১৮ টাকা ব্যায়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই ছাত্রাবাসটি তৈরী হবার ফলে গ্রামগঞ্জ থেকে আসা ছাত্রদের চলন্ত সমস্যার সমাধান হল। নতুন ছাত্রাবাস পেয়ে খুশি ছাত্রাবাসের ছাত্ররা। উক্ত অনুষ্ঠানে কালিয়াগঞ্জ পার্ব্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যাগাজিন স্পন্দনের উনমোচন করে পৌরপতি কার্তিক চন্দ্র পাল। 

        গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার প্রসারের স্বার্থে ১৯৩৪ সালে এলাকার সমাজসেবী প্রয়াত শরৎ চন্দ্র বর্মন পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের কথা চিন্তা করে ১ একক জমি দান করেছিলেন ছাত্রাবাসের জন্য। ১৯৬১ সালে ভিত্তি স্থাপন করা হলেও ১৯৬৩ সালে ছাত্রাবাসটি ছাত্রদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সময়ের সাথে সাথে সেই সময়ের ছাত্রাবাসটি বেহাল হয়ে পড়ে। মঝে মধ্যে ছাদের চাপড় খসে পড়ে। ছাত্রদের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয় কর্তিপক্ষ অনগ্রসর দপ্তরে লিখিত ভাবে জানান। সেই পেরিপেক্ষিতে নতুন ছাত্রাবাসের কাজ শুর হবার পরে আজ থেকে নতুন ছাত্রাবাসটি ছাত্রদের জন্য খুলে দেওয়া হল। বিগত দিনে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত ৩২ আসন বিশিষ্ট ছিল। কিন্তু নতুন দুই কক্ষ ছাত্রাবাসটি এক একটি কক্ষে দশ জন করে থাকতে পারায় এবারে মোট ২০ জন ছাত্র থাকতে পাড়বে ছাত্রাবাসে। সেই কারনে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী কমিয়ে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্ররা থাকবে। আগামীতে আবার নতুন ছাত্রাবাস তৈরী হলে তা আবার পূনরায় পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী চালু হবে বলে জানা গেছে।

        পৌরপতি কার্তিক পাল জানান, দিনের পর দিন প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছাত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার হার যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই কারনে অনগ্রসর দপ্তরের আর্থিক অনুদানে মোট ১৮,২৫০,১৮ টাকা ব্যায়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই ছাত্রাবাসটি তৈরী হল। 
https://www.youtube.com/embed/H3mAh2iYtD8