প্রসঙ্গত, ১৬ ই মে প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়ের রহস্যমৃত্যুর প্রতিবাদে ও ভোটকর্মীদের সুরক্ষার দাবীতে আন্দোলন নেমেছিলেন শিক্ষকরা। এর জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রায়গঞ্জ। শহরের ঘড়িমোড় এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। সেই সময় রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক টি.এন শেরপারর সাথে আন্দোলনরত সরকারি কর্মীদের বচসা, তীব্র আকার ধারণ করে। উত্তেজিত শিক্ষকদের হাতে চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হন মহকুমা শাসক টি.এন শেরপা। ঘটনায় ধাক্কাধাক্কি, কিল, ঘুষি সহ মহকুমা শাসককে লক্ষ্য করে জুতো ও জল ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনার পরেই মহকুমা শাসকের উপর হওয়া হামলার অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ক্ষতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
এই ঘটনার তদন্তে নেমে আরও ৬২ জন শিক্ষককে চিহ্নিত করে তাঁদের এই মামলায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। তিন জন শিক্ষক প্রদীপ সিনহা ও মনোজ ভৌমিক ও সঞ্জিৎ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সোমবার এই মামলাকে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাব বলে আখ্যা দিয়ে ধৃত তিন জন শিক্ষককে আদালতে তোলা হলে বিচারপতি তাদের জামিনে মুক্তি দেন। শিক্ষকদের হয়ে স্পেশাল কোর্ট কাম অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জাজ ফার্স্ট কোর্টে সওয়াল করেন হাইকোর্টের স্বনামধন্য আইনজীবী বিকাশ রঞ্চন ভট্টাচার্য। এদিন বিচারক ডি.এন রায় বর্মন মনোজ ভৌমিক, প্রদীপ সিনহা ও সঞ্জিৎ দাসের জামিন মঞ্জুর করেন। সোমবার আদালতে প্রচুর মানুষ ভীড় জমান।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/6QJYebtiArY