এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষন করে খুন করার অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুর জেলার করনদীঘি থানার কাদিরগঞ্জ গ্রামে। মৃতা ছাত্রীর নাম রিতিকা টুডু (১৩)। স্থানীয় পৌটি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী রিতিকা। আদিবাসী কিশোরী ছাত্রী ধর্ষন ও খুনের ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। করনদীঘি থানায় মৃতা রিতিকার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
জানা যায়, করনদীঘি থানার কাদিরগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ভোটকা টুডু গতকাল সন্ধ্যায় তার স্ত্রীকে নিয়ে এলাকায় একটি রাসযাত্রার অনুষ্ঠান দেখতে যান। বাড়িতে তার চার মেয়ে ছিল। বাড়িতে সিকল তুলে দিয়ে তারা চলে যায়। অভিযোগ, রাতের বেলা দুষ্কৃতকারীরা মুখ চাপা দিয়ে রিতিকাকে তুলে নিয়ে যায়। পাশেই একটি লিচুবাগানে তাকে ধর্ষন করে শ্বাসরোধ করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেখান থেকে তুলে আবার বাড়িতে যেখানে শুয়েছিল সেখানেই রেখে যায়। এরপর ভোররাত ২টার নাগাদ ওই কিশোরীর বাবা- মা ফিরে এসে শোয়া অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পান। তাকে ডাকলে সাড়া না পাওয়ায় চিৎকার চেঁচামেচি করেন। লোকজন এসে দেখতে পান রিতিকা মারা গিয়েছে। তার গলায় শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তার চুলে ঘাস পাতা দেখে সন্দেহ হয় তার পরিবার ও স্থানীয়দের। এরপর তারা দেখতে পান বাড়ির পাশেই লিচুবাগানে ধস্তাধস্তির চিহ্ন রয়েছে। তাদের অনুমান ওই বাগানে নিয়ে গিয়ে তাদের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে এবং পরে পুনরায় বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে করনদীঘি থানার পুলিশ।