Flash News
News add
Image

একশো দিনের কাজের মজুরী অধরা, একরাশ অভিযোগের পাশাপাশি বিক্ষোব শ্রমিকদের!

News add

একশো দিনের কাজের মজুরী অধরা,শ্রমিকহীনদের একাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে ভাগাভাগির অভিযোগ সুপারভাইজার ও নির্মাণ সহায়কের বিরুদ্ধে,বিক্ষোভ একশো দিনের কাজ করেও প্রকৃত শ্রমিকদের মিলছে না মজুরী।অথচ কাজ না করেই গ্রামের একাংশ মজুরী পাচ্ছে।

 

 


পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক ও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুললো একশো দিনের কাজের শ্রমিকরা।মালদহের চাঁচল-১ নং ব্লক অফিসে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়ে ব্লক চত্বরেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জবকার্ডধারী প্রকৃত শ্রমিকরা।চাঁচল-১ নং ব্লকের মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশ্বিনপুর সংসদের শ্রমিকরা এদিন প্রায় আধ ঘন্টা ধরে বিক্ষোভ দেখান ব্লক চত্বরে।


একশো দিনের কাজের শ্রমিক হাফিজুদ্দিনের অভিযোগ,এমজিএনআরইজিএস প্রকল্পে চার সপ্তাহ কাজ করেছি।তবুও মজুরী পাচ্ছিনা।ওই কাজের সুপারভাইজার সেখ মিনাল হোসেনকে টাকার কথা বলতে গেলে তিনি টাকা লোপাটের কথা বলেন।অর্ধেক টাকা সুপারভাইজারকে দিলেই নাকি একাউন্টে টাকা ঢুকবে।

অভিযোগকারী শ্রমিক লুসি বিবি জানান,মাটি কাটা কাজ করেও প্রায় ছয় সপ্তাহের কাজের টাকা পায়নি।অথচ গ্রামের কতিপয় মানুষ কাজ না করেই টাকা পাচ্ছে।আর সেই টাকা ভাগ করে নিচ্ছে সুপারভাইজার  সেখ মিনাল ও পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক মীর মহসিন।লকডাউনের পর থেকে স্বামীর কাজ স্বাভাবিক নেই। ঘরের লক্ষ্ণী হয়েও ১০০ দিনের মাটি কাটা কাজে হাত লাগিয়েছিলাম।কিন্তু মজুরী অধরা।আমরা তৃণমূল কংগ্রেস করি বলেই এই বঞ্চনার শিকার।গোটা ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতকেই দায়ী করছে শ্রমিকরা।

সময়মতো প্রকৃত শ্রমিকরাই মজুরী পায় ও নিয়ম মেনেই  কাজ করানো হয়।
শ্রমিকহীন দের একাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে ভাগ নেওয়ার বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেনে মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক মীর মহসিন ও স্থানীয় সুপারভাইজার সেখ মিনাল হোসেন।রাজনৈতিক মদতে উদ্দেশ‍্য প্রণোদিতভাবে এই অভিযোগ বলে দাবি সুপার ভাইজারের।

১০০ দিনের কাজ ও মজুরী প্রদান নিয়মমাফিক চলে।কাজ দেখেই বিল দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন মকদমপুর  গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহদেব চন্দ্র মন্ডল।
চাঁচলের বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য্য বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনমাফিক পদক্ষেপ করা হবে।

News add
লাইফ স্টাইল