Flash News
News add
Image

মানুষের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরি ড্রাগন ফলের চাষ শুরু হবিবপুরে

News add

করোনা সংক্রমণের প্রতিশোধক আবিষ্কার করা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। কিন্তু এরই মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞরা বলছেন শরীরে জীবাণু প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশি থাকলে এই মারণব্যাধি থেকে রেহাই মেলা সম্ভব। আর এক্ষেত্রে মানুষের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এখন ড্রাগন ফলের নাম উঠে আসছে।

 

ফলের নামটাও যেমন চিনাদের মতোন, ঠিক তেমনি চিন থেকে উৎপত্তি করোনা ভাইরাস। যার ফলে ড্রাগন ফলের নাম শুনে অনেকে মুখ কুঁচকে নিচ্ছেন। কিন্তু এই ফলের গুণ যে কতটা মারাত্মক তা বিগত দিনে মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এসে স্বীকার করে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ড্রাগন ফলের মাধ্যমে শরীরে প্রতিরোধক ক্ষমতা যে অনেকটা বাড়ায় সেকথাও গত বছর নভেম্বর মাসে প্রশাসনিক বৈঠক করার মুহূর্তে জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এবং এই ফলের চাষ কিভাবে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ানো যায় তাও তদারকি করে দেখার জন্য প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দেন। 

 

গত বছর করোনার প্রভাব না থাকলেও ডেঙ্গুর প্রভাব ছিল মারাত্মক। আর সেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাকি এই ধরনের ফল শরীরে রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় এরকমই আশংকার কথা জানিয়েছিলেন জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। আর এই ফলের চাষ বাড়াতে এখন উদ্যোগী মালদা জেলা প্রশাসন।

 

মালদার হবিবপুর ব্লকের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জগজীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ রায় (৫০)। তিনি প্রথম মালদায় ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেন। পেশায় শিক্ষক বিকাশবাবু টিভিতে কৃষি দর্পণ নামক একটি অনুষ্ঠানে এই ড্রাগন ফল সম্পর্কে প্রথমে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। এরপর সুদূর বাংলাদেশ থেকেই এই ড্রাগন ফলের বীজ নিয়ে এসেই নিজের জমিতে চাষ শুরু করেন। মূলত এই ড্রাগন ফল মায়ানমার, বাংলাদেশ, চিন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এসব দেশে চাষ হয়ে থাকে। ছোট আপেলের আকৃতির এই ফল যতটা না খেতে সুস্বাদু, তার থেকে বেশি শারীরিক উপকারিতা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন শিক্ষক বিকাশ রায়।

News add
লাইফ স্টাইল