Flash News
News add
News
Image

মরণকালে হরি নাম করছেন মুখ্যমন্ত্রী, পুরোহিতদের ভাতা করা নিয়ে কটাক্ষ রাহুল সিনহার

News add

মরণকালে হরি নাম করছেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরোহিতদের ভাতা করা নিয়ে এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। তিনি বলেন,”মিথ্যাচারে মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব রেকর্ড গড়ছেন। আয়ু তো মাত্র ছয় মাস। এতদিন মনে পড়েনি। বিদায়কালে দরাজ হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।”

 

সোমবার পুরোহিতদের জন্যই ভাতা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পুজোর মাস থেকে ১,০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে যে পুরোহিতদের বাড়ি নেই, তাঁদের বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ঘর দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। প্রাথমিকভাবে ৮,০০০ পুরোহিতের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

 

সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সনাতন ধর্মের ব্রাক্ষণরা দীর্ঘদিন ধরে পুজো করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা মন্দিরে মন্দিরে পুজো করেন। কিন্তু কোনওরকম সাহায্য তাঁরা পাননি। এই সমস্ত পুরোহিতদের মধ্যে একটি শ্রেণি আছে, যাঁরা খুব গরিব। সবাই তো আর ভালো পুজো, ভালো বিয়ে বা ভালো কাজ করার বায়না তো পান না। অনেকে আছেন, খুব গরিব। খুবই গরিব। গ্রামেগঞ্জে মাসে একটা পুজো পেলেন হয়তো। তাতে তাঁদের চলবে না।”

 

মুখ্যমন্ত্রীর এও ঘোষণা করেছেন যে, বিষ্ণুপুর সংগ্রহশালায় থাকা সংস্কৃত নথি ডিজিটাল ফরম্যাটে পুনরুদ্ধার করা হবে। জীর্ণ মন্দির-মসজিদের সংস্কারের কাজ হবে। রাজ্যে সনাতনী ধর্মের তীর্থস্থান তৈরি হবে বলে জানান মমতা।

 

মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণায় অবশ্য ভোটের অঙ্ক দেখছে রাজনৈতিক মহল। তাঁদের মতে, রাজ্যে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা চালু হলেও এতদিন পুরোহিতরা সেই ভাতা পেতেন না। তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বারবার তোষামদের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। পুরোহিতদের সংগঠনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই কারণেই বিধানসভা ভোটের আগে আর কোনও ঝুঁকি নিলেন না মুখ্যমন্ত্রী বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

 

যদিও পুরোহিত ভাতার সঙ্গে ‘অন্য কোনও সম্পর্ক’ নেই বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তাঁরা সমাজে-সমাজে যোগ রাখেন। আমাদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন, সেজন্য সাহায্য করা হচ্ছে। এটা অন্যভাবে দেখবেন না। এখানে যদি আমায় পাদ্রিরাও বলেন, যাঁরা খ্রিশ্চান আছেন, তাঁরা যদি সাহায্য চান, তাহলে তাঁদেরও আমরা সাহায্য করব।”

 

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী যাই বলুন পাল্টা ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। রাহুল সিনহার কটাক্ষ, “জয় শ্রীরাম শুনলে যে মুখমন্ত্রী রেগে যেতেন, এখন তিনিই রামায়ন, মহাভারত, বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মেতে উঠেছেন। বিদায়ের শেষ লগ্নে এসব কথা মনে পড়ছে তাঁর।” সংগৃহীত.........

News add
লাইফ স্টাইল