Flash News
News add
News
Image

করোনা প্রতিরোধে একটি সহজ উপায় জেনে নিন

News add

করোনাকালে আমাদের সকলের চিন্তা কখন কার কী হয়। বিশেষ আবিষ্কারের পরও যে হারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে ও বেড়ে চলেছে তাতে তা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও রোজ এই রোগের উপসর্গও নাকি পাল্টাচ্ছে। এই রোগের থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো খোঁজ চালাচ্ছেন। মানুষ এখনও আশায় বসে যে দ্রুত এর থেকে বাঁচার উপায় মিলবে। কিন্তু ততক্ষণ নিজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। সমস্ত সুরক্ষাবিধির কথা ডাক্তাররা বারবার বলছেন। তবে এবার আর একটি পন্থার কথা জানালেন বিজ্ঞানীরা।

 

করোনাকালে গরম পানীয় পান করা আমাদের গলার জন্য ভালো এটা আমরা সকলে জানি। কিন্তু করোনা ভাইরাস আমাদের নাকের পারানসাল সাইনাসের পেছনে তিন থেকে চার দিন সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। গরম পানীয় সেখানে কাজ করে না। চার থেকে পাঁচ দিন পর এই ভাইরাসটি সাইনাসের পেছন থেকে ফুসফুসে পৌঁছে যায়।

 

তখন আমাদের শ্বাস নিতে সমস্যার শুরু হয়। এই কারণেই এই সমস্যা যাতে না হয় তাই গরম জলের ভাপ নেওয়া খুব জরুরি। ভাপ আমাদের সেই পারানসাল সাইনাসের পেছনে পৌঁছে যেতে পারে। এই কারণেই এই ভাপ নিয়ে নাকের সাইনাসের পেছনে লুকানো ভাইরাসকে হত্যা করতে পারি আমরা। নিজেরাই।

 

৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাসটি অক্ষম হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এই ভাইরাস এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে মানব দেহের যে কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা এটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে উপযোগী হয়ে ওঠে। ৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে এই ভাইরাস পুরোপুরি তার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এইভাবে ভাইসারকে পুরোপুরি অক্ষম করার কাজটিই বাষ্প বা ভাপ করে থাকে। পুরো জনসাধারণ ও স্বাস্থ্য বিভাগ এই পন্থার প্রচার করতে শুরু করেছে।

 

তবে ভাপ নেওয়ার সময় রয়েছে। যারা বাড়িতে থাকে, তাদের দিনের মধ্যে অন্তত একবার ভাপ নেওয়া উচিত। বাইরে গেলে বা বাজার করতে গেলে দিনে দুবার করে ভাপ নিতে পারলে ভালো হবে। যে বা যারা জনসমাগমে যায় বা মানুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করে প্রতিদিন বা ভিড়ের মধ্যে দিয়ে অফিসে যায়, তাদের উচিত দিনে তিনবার করে ভাপ নেওয়া। চিকিৎসকদের মতে, নাক এবং মুখ দিয়ে ভাপ নিলেই করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা বাস্তবেই সম্ভব। সংগৃহীত.........

News add
লাইফ স্টাইল