Flash News
News add
News
Image

বাতাসের মাধ্যমে কতটা প্রভাব ফেলছে করোনা! জেনে নিন

News add

করোনার সংক্রমণ সাধারনত ছড়িয়ে পড়ে নাক, মুখ বা চোখের মাধ্যমে। চিকিৎসকরা এখন পর্যন্ত এই অঙ্গগুলিকে প্রতিনিয়ত সুস্থ রাখার কথা বলছেন। সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে এই অঙ্গগুলির মাধ্যমেই খুব সহজেই ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস।

 

তবে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলে ও কিছু সাধারণ নিয়ম মানতে পারলে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে এই ভয়ঙ্কর ভাইরাসটি থেকে। করোনা আক্রান্ত হলে সাধারণত ব্যথা, জ্বর, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আবার অনেক সময় উপসর্গ নাও থাকতে পারে।

 

করোনা আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির হাঁচি, কাশি থেকে বাতাসে নিমেষের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই মারণ ভাইরাস। সেই কারণেই একে অপরের সঙ্গে শারীরিক দূরত্ব রেখে চলাফেরা করতে বলছেন ডাক্তার থেকে বিশেষজ্ঞরা।

 

পাশাপাশি এখন আবার বাড়িতে থাকলেও স্যানিটাইজার ব্যবহারের সাথে মাস্কও পরার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে যে কারও শ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও তা ঢুকতে পারবে না অন্য কারুর শরীরে।

 

তবে যে দুই মিটার দূরত্ব রাখতে বলা হচ্ছে, তা নিয়ে বার বার জল্পনা, সংশয় ও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা কেউ কেউ বলছেন যে বাতাসে ভেসে থাকলেও এই ভাইরাস বেশি দূর অতিক্রম করতে পারে না।

 

সংক্রমিতের শরীর থেকে বেরিয়ে গিয়ে সেই ভাইরাস তার দুই মিটারের মধ্যেই ঘোরাফেরা করে। ফলে সেখানে অন্য কোনো ব্যক্তি থাকলে তিনি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তুঙ্গে।

 

তার মধ্যেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে নিচে নেমে আসে সেই ভাইরাস। তখন তা আর বাতাসে ঘুরে বেড়াতে পারে না। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরে দু-তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে ওই ভাইরাস। তার পরে সেটি নিজেই নাকি নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

 

এই কারণেই কোথাও হাত দিলে বারবার সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ নিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সেই সাথে স্যানিটাইজার মাঝে মাঝেই ব্যবহার করতে হবে বাড়িতে বা বাড়ির বাইরে যে কোনো স্থানে। সংগৃহীত..........

News add
লাইফ স্টাইল