Flash News
News add
News
Image

বাড়ির ভেতরেও ত্বক পুড়ছে…কী করবেন

News add

মহামারীর এই কঠিন পরিস্থিতিতে এখন বেশিরভাগ কর্মজীবী মানুষদেরকেই ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতিতে কাজ করতে হচ্ছে। লকডাউনে গৃহবন্দী। তাই বহু মানুষই ভাবছিলেন যে এই গরমের মধ্যেও হয়তো সূর্যের তাপ এই সময়ে গায়ে লাগছে না। ফলে রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে না। কিন্তু এই ধারণা একদম ভুল। আপনি কি জানেন যে আপনি ঘরের ভেতরে বসে থাকলেও আপনার ত্বকে সান ট্যান হতে পারে ? অবাক হলেন তো? আসলে ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন রোদের দুই ধরনের অতিবেগুনি রশ্মি পাওয়া যায়। “এ” এবং “বি”।

 

আমরা যখন কাজের কারণে বা অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ে বাড়ির বাইরে বের হই তখন আমাদের ত্বক শোষণ করে “বি” গোত্রের অতিবেগুনি রশ্মি। এই অতিবেগুনি রশ্মির ফলে আমাদের ত্বক সূর্যের প্রচণ্ড তাপে গলে যায় এবং এর থেকে চুলকানি ফুসকুড়ি এবং সান ট্যানের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া ডিএনএর উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে এই “বি” গোত্রের রশ্মি।

 

ঘরের মধ্যে থাকাকালীন বা গাড়ি করে কোথাও যাওয়ার সময় আমরা বি গোত্রের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচার জন্য কালচে ধরনের কাচ জানলায় লাগাই। কারণ এই কাচ অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করতে পারে না। তবে এ ছাড়া যে “এ” গোত্রের অতিবেগুনি রশ্মি রয়েছে তা এই কাচ ভেদ করে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করতে পারে।

 

ফলে সেই ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি সহজেই আমাদের ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম। বলা হয় “বি” গোত্রের অতিবেগুনি রশ্মির মতোই “এ” গোত্রের অতিবেগুনি রশ্মিও ক্ষতিকারক। এটি ত্বক পুড়িয়ে দেয় না অথবা ডিএনএর ওপর প্রভাব ফেলে না। কিন্তু ত্বকে বয়সের ছাপ বা ভাঁজ ফেলতে পারে সহজে। এছাড়াও এই রশ্মির  প্রভাবে আমাদের ত্বকের ক্যান্সারের মত মারণ রোগ পর্যন্ত হতে পারে। তাই এর থেকে বাঁচতে আজ থেকেই ঘরের ভেতরে থাকলেও সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সংগৃহীত.........

News add
লাইফ স্টাইল